শনিবার , ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮

ঢাবিতে টাকার অভাবে ভর্তি হতে পারছে না শিক্ষার্থী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলেও বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থ। কোথায় পাবেন অর্থ, কে দিবেন অর্থের যোগান এমন শঙ্কায় দিন কাটছে সাধারণ দর্জি ঘরের সন্তান বিষ্ণু মোহনের। বিষ্ণু মোহন আদিতমারী উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের মসুরদৈলজোড় (পাকুয়াটারী) গ্রামের দর্জি ধনেশ্বর রায়ের ছেলে।
জানা গেছে, বিষ্ণু মোহন এ বছর ঢাবির ‘খ’ ইউনিটে ১৯৩৭ তম স্থান পেয়েছেন। তিনি ভবিষ্যতে বিসিএস ক্যাডার হতে চান। কিন্তু উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের শুরুতেই বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থ। ঢাবিতে ভর্তির সুযোগ পেলেও অর্থের যোগানের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে শুরু করেছেন তিনি।
সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে কথা হয় অদম্য মেধাবী বিষ্ণু মোহনের সঙ্গে। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি লেখাপড়া শিখে বিসিএস ক্যাডার হয়ে মানুষের সেবা করতে চাই। কিন্তু বড় বাধা হয়েছে অর্থ। এখন কী করব বুঝে উঠতে পারছিনা।’
সাধারণ দর্জি ঘরের সন্তান বিষ্ণু মোহন ২ ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট। বড় ভাই প্রাণীবিদ্যা বিভাগে অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্র। তার লেখাপড়া চলছে প্রাইভেট পড়িয়ে। আর বাবার সামান্য আয়েই এক বেলা খেয়ে না খেয়ে চলছে তাদের সংসার। জমি বলতে মাত্র বাড়িভিটার ৫ শতক জমি। বিষ্ণু মসুরদৈলজোড় উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে মানবিক বিভাগে জিপিএ-৪.৫৬ ও বেগম কামরুনেছা ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসিতে একই বিভাগ থেকে জিপিএ-৪.৫৮ পেয়েছেন।
উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে ঢাবিতে ভর্তির সুযোগ পাওয়া প্রসঙ্গে বিষ্ণু মোহনের বাবা ধনেশ্বর রায় ইত্তেফাককে জানান, ‘ছেলেটাকে পড়ানোর মত কোন উপায় আমার নেই। বাজারে খোলা জায়গায় কাপড় সেলাই করে যে টাকা পাই তা দিয়ে সংসারে চলে না। সমাজের বিত্তশালীদের তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
বিষ্ণু মোহনের সঙ্গে যোগাযোগের মোবাইল নম্বর ০১৭৯২৮৩৬৬১৫।

Comments

Check Also

রাজধানীর গুলশানে পুলিশ প্লাজায় আগুন

রাজধানীর গুলশানের পুলিশ প্লাজার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাতে পঞ্চম তলায় ফুড কোর্টের একটি দোকানে …