শুক্রবার , ১৬ নভেম্বর ২০১৮

তিন দশক পর বাংলাদেশ পদকশূন্য

এশিয়ান গেমসের ইতিহাস ৬৭ বছরের। বাংলাদেশ এশিয়ান গেমসে অংশ নিচ্ছে ৪০ বছর। এশিয়ার অলিম্পিক খ্যাত এই আসরে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ১৯৭৮ সাল থেকে। সেবার ফুটবল, হকি, ভলিবল, রেসলিংয়ে অংশ নেয় বাংলাদেশ। তবে কোন পদক পায় নি। ১৯৮২ সালে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত আসরেও পদকশূন্য ছিল বাংলাদেশ। অংশগ্রহণও ছিল তখন বড় কথা। কিন্তু সময় পাল্টাতে বেশি দেরি লাগেনি। পরের আট আসরে কোন না কোন ইভেন্টে পদক জেতে বাংলাদেশ। হলো না কেবল এবার!

গেল ৩২ বছর এশিয়াডের পদক তালিকায় নাম ছিল বাংলাদেশের। ৩৬ বছর পর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা-পালেমব্যাং থেকে খালি হাতে ফিরছে লাল-সবুজের পতাকা বহনকারীরা। চলতি ১৮তম এশিয়ান গেমসের মেডেল তালিকায় নাম নেই বাংলাদেশের। যে যে ইভেন্ট জুড়ে বাংলাদেশের স্বপ্ন ছিল তার মধ্যে কাবাডি, শুটিং ও আরচারি অন্যতম। কিন্তু ওই ইভেন্টগুলো এবার প্রচ্ছন্ন হয়নি বাংলাদেশের জন্য।

চলতি আসর নিয়ে বাংলাদেশ এশিয়াডে ১১বার অংশ নিচ্ছে। এবার লাল-সবুজের দেশের সাফল্য বলতে ফুটবলে প্রথমবারের মতো নক আউট পর্বে ওঠা। অথচ নিজেদের দ্বিতীয় আসরে ১৯৮২ সালে ফুটবলে মালয়েশিয়াকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশ গত ২৪ বছর কাবাডিতে দাপট দেখিয়েছে। ছেলে কিংবা মেয়েরা রৌপ্য না হোক ব্রোঞ্জ জিতেছে। এবার সেখানেও ব্যর্থ। আর সব মিলিয়ে ১৪টি ডিসিপ্লিনে অংশ নিয়ে নেই কোন পদক।

এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশকে প্রথম পদক ১৯৮৬ সালে। মোশাররফ হোসেন সিউলে ব্রোঞ্জ জিতেছিল। চার বছর পর বেইজিংয়ে কাবাডিতে রৌপ্য জেতে ছেলেরা। এরপর ধারাবাহিত ছিল এই ডিসিপ্লেনে। কিন্তু এবার ব্যর্থ।

এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের একমাত্র স্বর্ণ ক্রিকেটে। ২০১০ গুয়াংজু, এশিয়ান গেমসে প্রথম ওঠে ক্রিকেটের নাম। প্রথম আসরেই স্বর্ণ ছেলেদের। মেয়েরা জিতেছিল রৌপ্য। এবার ক্রিকেটও নেই, আশাও নেই। আরচারি, অ্যাথলেটিকস, বাস্কেটবল, কাবাডি, শুটিং, ভারোত্তোলন আশা দেখাতে পারেনি। আর তাই পদকের তালিকায় নাম তুলতে আবার চার বছর অপেক্ষা করতে হবে বাংলাদেশের।

Comments

Check Also

আইন না বুঝে পরিবহন শ্রমিকরা ধর্মঘট করছে বলেন আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আমার মনে হয় সড়ক পরিবহন আইনটা না বুঝেই পরিবহন শ্রমিকরা ধর্মঘট …